সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Moner ayna health and fitnes

চাল কুমড়োর বিশেষ উপকারিতা ও পুষ্টিগুন!২০২৪(bangla best health tips )

চাল কুমড়োর পুষ্টিগুন : চাল কুমড়ো আমরা সব্জি হিসাবে খেয়ে থাকি। বর্ষাকালে চাল কুমড়োর আমদানি বাজারে বেশ ভালোই হয়ে থাকে। কিন্তূ এর বিশেষ কিছু পুষ্টিগুন ও উপকারিতা রয়েছে যা আমরা অনেকেই জানি না।চাল কুমড়োর পুষ্টিগুন গুলি হলো  খাদ্যশক্তি, আমিষ, শর্করা, ফাইবার, চর্বি, ভিটামিন সি, ভিটামিন B1,ভিটামিন B2,পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম ইত্যাদি। এছাড়াও চাল কুমড়োতে রয়েছে কোলেস্টেরল, লৌহ, জিংক,ফ্লাবোনায়েড,ফসফরাস। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের মতে মতে, চালকুমড়া পুষ্টিকারক বীর্যবর্ধক ও গরিষ্ঠ। রক্তের দোষ অর্থাৎ রক্তবিকার দূর করে, বায়ুর প্রকোপ কমিয়ে দেয়।                                                                                                                             ...

চিরতার স্বাস্থ্য সম্মত উপকারিতা ও ব্যবহারের নিয়ম ((2024)


    চিরতা হলো একটি vesaj udvid।প্রাচীন আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় একটি মূল্যবান ঔষধ হলো চিরতা। নানান রোগের ক্ষেত্রে আগের দিনে মানুষ চিরতা ব্যবহার করতো, তবে এখনো নানান রোগের ক্ষেত্রে মানুষ এর ব্যবহার করে থাকে। গাছটি ক্ষুদ্রাকার, এর পাতা গুলো দেখতে চিকন লম্বাটে, গাছটিতে যখন ফুল আসে তখনি গাছ গুলো কেটে রোদে শুকিয়ে এর ব্যবহার করা হয়। চিরতার উপকারিতা :তবে যাই হোক আজ আমরা চিরতার উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করবো যেমন -   ১/কৃমি নাশক :আমাদের সবারই পেটে কৃমি হয়ে থাকে ফলে আমাদের স্বাস্থর অনেকটা ক্ষতি হয়। যারা এই কৃমির সমস্যায় ভুগছেন তারা হাফ গ্রাম চিরতা গুঁড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন,তাহলে এই সমস্যা দূর হবে।২/জর সারাতে:আবহাওয়া পরিবর্তন হলে অনেকেরই সর্দি কাশি জ্বর ও শরীর ব্যথা হয়। এই সমস্ত রোগী যদি ৪.৫ gm চিরতা ৪ কাপ জলে ফুটিয়ে ২ কাপ থাকতে নামিয়ে নিয়ে ছেকে সেই জল পান করলে জ্বর সেরে যায়। এটি জ্বর সারানোর খুব ভালো একটি পদ্ধতি।৩/এলার্জি সারাতে:যাদের এলার্জি রয়েছে তারা যদি নিয়ম মাফিক চিরতা সেবন করে তাহলে এলার্জি সেরে যায়। তবে এক্ষেত্রে গরম জলের সঙ্গে চিরতা রাতের বেলা ভিজিয়ে রেখে সকাল বেলা সেই জল পান করলে এলার্জি সেরে যাবে।৪/হাঁপানি সারাতে : যাদের হাঁপানি রয়েছে তারা যদি হাফ গ্রাম চিরতার সঙ্গে মধু মিশিয়ে রাতের বেলা নিয়মিত খেতে পারেন তাহলে হাঁপানি সেরে যাবে।   

                                              ৫/চুলকানি সারাতে :চুলকানি সারাতে হলে কিছু পরিমান চিরতা সরসের তেলে ভেজে সেই তেল ছাঁকনি দিয়ে নিয়ে ক্ষতো স্থানে লাগালে চুলকানি সেরে যায়।৬/চুলপাড়া কমাতে :যাদের অনিয়মিত চুল ঝড়ে পরে তারা নিশ্চিন্তে চিরতার ব্যবহার করতে পারেন           তবে এক্ষেত্রে রাতের বেলা ১ কাপ জলে কিছু পরিমান  চিরতা ভিজিয়ে রেখে সেই জল যদি  দুপুরে স্নান করার আধ ঘন্টা আগে মাথায় মেখে তারপর স্নান করলে চুলপরা বন্ধ হয়।     
চিরতার ব্যবহার

                                                  ৭/বমি ভাব কমাতে :যদি বমি বমি ভাব হয় তাহলে কিছু পরিমান চিরতা জলে ফুটিয়ে নিয়ে সেই জল পান করলে বমি বমি ভাব তৎক্ষণাৎ কমে যায়/ডায়াবেটিস কমাতে :যাদের ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত তারা যদি নিয়মিত চিরতা মিশ্রিত জল পান করে তাহলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে। এছাড়াও চিরতার আরো অনেক health benefits রয়েছে।                       thank you for reading this artical.please share this and support my website to grow further