সুস্থ সবল শরীর গঠনের জন্য আসনের গুরুত্ব অনেক বেশি। আমরা যদি নিয়মিত কয়েকটি আসন অনুশীলন করি তাহলে আমাদের অনেক
health benefits মেলে ও শরীর মজবুত হবেই
।তবে আসন করার সব থেকে ভালো সময় হলো ভোরবেলা। এই সময় আবহাওয়া খুব মনোরম থাকে। ভোরবেলার ফুরফুরে হাওয়ায় মন মেজাজ ভালো হয়ে যায়। যারা বিভিন্ন কারণে ডিপ্রেশনে ভুগছে তাঁদের পক্ষে আসন চর্চা করা খুবি জরুরি।তারা যদি ভোর সকালে উঠে আসন করে তাহলে তাঁদের শরীরে ব্লাড সারকুলেশন খুব ভালো হয় এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেন শরবরাহ দ্রুতগতিতে হয় ফলে খুব সহজেই মানুষ বিভিন্ন রকম ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পায়
। এসব ছাড়াও যারা নিয়মিত আসন করে তাঁদের শরীরে সহজে মেদ জমেনা । শরীরের গঠন খুব সুন্দর হয় এবং শরীরের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় ফলে মানুষ দেখতে খুবি সুন্দর হয়।
1, আসন : অস্টাঙ্গ যোগের তৃতীয় ধাপটি হলো আসন। যে নির্দিষ্ট শারীরিক ভঙ্গিমা স্থির ভাবে ধারনের মাধ্যমে সুখ অনুভব করা যায়, তাকে আসন বলে। আসন গুলোকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায় যথা -
ক, শারীরিক সুস্থতা প্রদানকারী আসন : শারীরিক সুস্থতা প্রদানকারী আসন গুলি হলো যেমন -হলাশন, ভুজাঙ্গাসন,সলভাসন চক্রাসন ইত্যাদি।
খ, মনোসংযোগকারী আসন : মনোসংযোগ আসন গুলি হলো -পদ্মাসন, সিদ্ধাসন,বিরাসন, সুখাসন ইত্যাদি।
গ, আরাম প্রদানকারী আসন : আরাম প্রদানকারী আসন গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সবাসন ও মকরাশন।নিন্মে কয়েকটি আসনের পদ্ধতি ও উপকারিতা আলোচনা করা হলো
1,মৎস্যাসন : মাথা ধরা ও অনিদ্রার সমস্যায় সাধারণত এই আসন টি খুবি উপকারী। এই আসনটি করার পদ্ধতি গুলি নিন্মে আলোচনা করা হলো-
পদ্ধতি : প্রথমে পদ্মাসন করে বসতে হয়। এরপর দু-হাতের কনুই এ ভর করে চিৎ হয়ে শুতে হয়। এরপর দুহাতের তালু মাথার দু-পাশে রেখে মাটিতে চাপ দিয়ে পিঠ মাটি থেকে তুলতে হয়। তারপর ঘাড় হেলিয়ে দিয়ে মাথার তালু মাটির উপর রাখতে হয়। এরপর দু হাত দিয়ে দু পায়ের বুড়ো আঙ্গুল ধরে টানতে হবে ও বুক উঁচু করেতে হবে কিণ্তু কনুই মাটিতে লাগানো থাকবে। এই আসন টি করলে আমরা অনেক
health tips পেয়ে থাকি।
মৎসাসনের উপকারিতা : মাথা ব্যথা, অনিদ্রা, হাঁপানি, সর্দি কাশি, কোমরের বাত ইত্যাদি রোগের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।এছাড়াও যাদের বুঁকের খাঁচা ভালো নয় তারা এই আসনটি করতে পারে।
2, উত্থিত পদ্মাসন : এই আসন কিভাবে করতে তা নিন্মে আলোচনা করা হলো -
পদ্ধতি : প্রথমে পদ্মাসনে বসতে হয়। তারপর দু হাতের তালু উরুর দু পাশে রাখতে হয়। দু হাতের তালু যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে। এরপর দু হাতের তালুতে ভর দিয়ে মাটিতে চাপ দিয়ে দেহকে মাটি থেকে শুন্যে রাখতে হয়। দৃষ্টি সামনের দিকে রাখতে হবে।
উপকারিতা : হাতের ও কাঁধের পেশী ও নার্ভ শক্তিশালী করে। মনের একাগ্রতা ও দেহের ভারসাম্য বজায় রাখে।
Thank you for reading this artical.please share this and support my website to grow further